Mobile Banking Partner
Visitors Info

 বি এসসি অনার্স ইন টেক্সটাইল এবং বি এসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোগ্রামে ভর্তি চলছে

অনলাইনে আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন

ক্যারিয়ার গড়তে কর্মমূখী উচ্চ শিক্ষা

কর্মমূখী শিক্ষা কর্মসংস্থানের প্রধান সহায়ক”  এই প্রতিপাদ্য বিষয়ের আলোকে মহান মুক্তিযুদ্ধের দ্বারা অর্জিত আমাদের প্রিয় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ছাএ-ছাত্রীদের প্রকৌশল প্রযুক্তি নির্ভর আধুনিক কর্মমূখী শিক্ষার মাধ্যমে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করাই আমাদের লক্ষ্য। বর্তমান সয়ময়ে গতানুগতিক বিষয়ে শিক্ষা লাভ করে চাকুরীর আশায় দ্বারে দ্বারে না ঘুরে কর্মমূখী বা জীবনমূখী শিক্ষা গ্রহন করে যে কেউ সাফল্যের শীর্ষে পৌছাতে পারে। উন্নতি আর সাফল্য নির্ভর করেছে সময়উপযোগী শিক্ষা ও কর্ম ক্ষেএ নির্বাচন এবং প্রয়োগের উপর। বর্তমানে বাংলাদেশসহ বিশ্বের যে কয়েকটি দেশে শিল্পের মাধ্যমে দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নতি লাভ করছে তার মধ্যে অন্যতম হল টেক্সটাইল শিল্প। বস্ত্র হল সভ্যতার নির্দশন। বাংলাদেশের বৈদেশিক বানিজ্যর প্রায় ৭০ ভাগই বস্ত্র নির্ভর। পৃথিবীর মোট পোশাকের প্রায় ১০ ভাগই বাংলাদেশ থেকে যোগান দেওয়া হয়। দেশে বর্তমানে প্রায় ৯,০০০(নয় হাজার) টেক্সটাইল শিল্প আছে। বিশ্ব ব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা স্বত্বেও এ সেক্টরে আমাদের অগ্রগতি চলমান।

বর্তমানে টেক্সটাইল শিল্প চাহিদার সাথে সংগতি রেখে প্রয়োজনীয় সংখ্যক দক্ষ ও শিক্ষিত জনশক্তি যোগান দেওয়া সম্ভব হচ্ছেনা। তাই টেক্সটাইল বিষয়ে উচ্চ শিক্ষা এখন সময়ের দাবি। এ লক্ষ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভূক্ত শ্যামলী আইডিয়াল কলেজ “বি.এসসি. অর্নাস ইন এ্যাপারেল ম্যানুফ্যাকচার এ্যান্ড টেকনোলজি ,  বি.এসসি. অর্নাস ইন নীটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচার এ্যান্ড টেকনোলজি , বি.এসসি. অর্নাস ইন ফ্যাশান এ্যান্ড ডিজাইন টেকনোলজি”। আমাদের প্রতিষ্ঠানের পাঠদানরত সুদক্ষ্য শিক্ষক মন্ডলির নীবিড় তত্ত্বাবধান ও উন্নত শিক্ষা পরিবেশ একজন ছাএ/ছাত্রীকে দক্ষপ্রযুক্তিবীদ হিসাবে গড়ে উঠা সহ তাহার কর্মজীবনে প্রবেশ দ্বারকে উন্মুক্ত করতে সাহায্য করবে। বাংলাদেশের রপ্তানী আয়ের সংহভাগই আসে বস্ত্রশিল্প থেকে। ফলে এই শিল্পের গুরুত্ব বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে সংশ্লিষ্ট বস্ত্র প্রযুক্তিবীদদের চাহিদা। আমাদের দেশে একদিকে যেমন বস্ত্র প্রযুক্তিবীদদের চাহিদা ব্যাপক, তেমনি অন্যদিকে রয়েছে দক্ষ বস্ত্র প্রযুক্তিবীদদের স্বল্পতা। এই সেক্টরে কাজের পরিধি তথা কাজের ক্ষেত্র ব্যাপক।

বস্ত্র প্রযুক্তিবীদগণ শুধু টেক্সটাইল শিল্পেই নয় বরং বিনিয়োগ বোর্ড, বিসিক, শিল্প মন্ত্রণালয়, পাঠ ও বস্ত্রমন্ত্রাণালয়, ব্যাংক-বীমা, বিজিএমইএ, রেশম ও তুলা উন্নয়ন বোর্ড, কাস্টমস, জুট রিসার্চ সেন্টার, বিএমবিআই, ফ্যাশান এন্ড ডিজাইন ইনষ্টিটিউট, প্রোডাকশন ম্যানেজমেন্ট, টেক্সটাইল টেস্টিং এ্যান্ড কোয়ালিটি এ্যাসুরেন্স, বায়িং হাউজ, জাতীয় বস্ত্র ও নকশা উন্নয়ন কেন্দ্র ইত্যাদি খাতেও রয়েছে এদের ভালো চাহিদা। এছাড়াও একজন দক্ষ বস্ত্র প্রযুক্তিবীদ নিজে উদোক্তা হয়ে গার্মেন্টস শিল্প, ওয়ার হাউজ, বায়িং হাউজ ইত্যাদি স্থাপনের মাধ্যমে দেশের বেকার জনগোষ্টির জন্য কর্ম-সংস্থাপনের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারেন।

বি.এসি. অর্নাস ইন কম্পিউটার সাইন্স এ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং” জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিনে ৪ (চার) বছর মেয়াদী এ শিক্ষাক্রমটি কর্মপযোগী তাত্ত্বিক ও ব্যাবহারিক শিক্ষার আলোকে সাজানো হয়েছে। আধুনিক যুগে তথ্যপ্রযুক্তির যুগ তথ্য প্রযুক্তির ছোয়ায় পাল্টে গেছে মানুষের ব্যাক্তি ও কর্মজীবনেরে স্টাইল ইলেকট্রনিক ফাইল প্রসেসিং-এর আর্শীবাদে অফিস ব্যাবস্থাপনায়ও এসেছে গুনগত পরিবর্তন। তথ্য প্রযুক্তির ব্যাবহারের মাধ্যমে শিল্প কারখানা উৎপাদন এবং অফিস-আদালতে সেবার মান বৃদ্ধি করা সম্ভব হচ্ছে। ফলে বিশ্বে সৃষ্টি হয়েছে কম্পিউটার প্রয়োগভিত্তিক আধুনিক পোশাক। এ শিক্ষাক্রমে একজন শিক্ষার্থীকে দেশ-বিদেশ, সরকারী-বেসরকারী বিভিন্ন সেক্টরে, যেমনঃ- কম্পিউটার ম্যনুফ্যাকচারিং কোম্পানী, সফটওয়্যার ও ফার্মওয়্যার ডেভলামেন্ট ফার্ম, টেলিকম অপারেটর, টেলিভিশন চ্যানেল, ব্যাংক, হাসপাতাল, সশস্ত্র ও আইন শৃঙ্গলা রক্ষাকারী বাহিনী, বস্ত্র কারখানা, বিশ্ববিদ্যালয়, রিসার্চ ইন্সটিটিউট প্রভৃতিতে একজন কম্পিউটার প্রফেশনাল হিসাবে কর্মসস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়। ডাটাবাস এডমিনিস্ট্রেশন, কম্পিউটার সিস্টেম এ্যানালাইসিস, ওয়েব সাইট ডেভল্পমেন্ট এন্ড এডমিনিস্ট্রেশন, কম্পিউটার সিস্টেম প্লানিং, এন্টারপ্রাইজ নেটওয়ার্ক এডমিনিস্ট্রেশন, কম্পিউটার সিস্টেম এডমিনিস্ট্রেশন, আইটি ম্যানেজমেন্ট, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং, গ্রাফিক্স ডিজাইনিং, সাইন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং সহ নানাবিধ ক্ষেত্রে একজন  কম্পিউটার  ইঞ্জিনিয়ার ক্যারিয়ার গড়ে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে।

 “বি.এসি. অর্নাস ইন ইলেকট্রনিক্স এন্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং” ৪(চার) বছর মেয়াদী এ শিক্ষাক্রমটিতে কমিউনিকেশন, কম্পিউটিং, ইলেকট্রনিক্স ও ব্রডকাস্টিং প্রযুক্তির এমন সমন্বয় ঘটেছে যে, এ ডিগ্রী অর্জনকারী একজন ইঞ্জিনিয়ার আধুনিক ইলেকট্রো-কমিনিকেশন সকল ক্ষেত্রে যেমনঃ- রেডিও, টেলিভিশন, টেলিফোন, সেল ফোন, স্যাটেলাইট, ডিজিটাল ট্রান্সমিশন, মাইক্রোওয়েভ কমিউনিকেশন,  ইলেকট্রনিক্স ইন্ডাস্ট্রি, টেলিকমিউনিকেশন, সফটওয়্যার ডেভলামেন্ট প্রভৃতিতে কর্মসংস্থান করতে পারে। শ্যামলী আইডিয়াল কলেজের সুদক্ষ শিক্ষামন্ডলীর নিবীড় তত্ত্বাবধানে এ ব্যাচেলার ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোগ্রামটিতে অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীদের ইলেকট্রনিক্স এন্ড কমিউনিকেশন সার্কিট ডিজাইন, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক এ্যান্ড হার্ডওয়্যার, টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেম এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল অটোমোশন প্রভৃতি বিষয়ে তাত্বিক জ্ঞান ও ব্যবহারিক কাজে দক্ষ করে গড়ে তোলা হয়।

অএ প্রতিষ্ঠানে ভর্তিকৃত একজন ছাএ/ছাত্রী যখন স্নাতক ডিগ্রী অর্জনের মাধ্যমে দক্ষ হয়ে দেশ ও জাতির সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করবে তখনই আমি খুজে পাবো এই প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার সার্থকতা।

 

      (অধ্যক্ষ এম.এ.সাত্তার)

         সভাপতি

    শ্যামলী আইডিয়াল কলেজের

 

Latest News/Events
Admission Open On HSC (Science, Business Studies, Humanities) Under Dhaka Education Board.
Admission Open on B.Sc Computer Science & Engineering Under National University
Admission Open on B.Sc in Electronic & Communication Engineering Under National University
Admission Open on B.Sc (Hons) in Textile (AMT,KMT,FDT) Under National University